ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষন

প্রকাশিত: ১:১৩ অপরাহ্ণ, জুলাই ৮, ২০২০

কিছু নব্য আওয়ামীলীগ যারা রাজনীতি জানে না বুঝে না তারা সংগঠনকে দ্বিখণ্ডিত করার চেষ্টায় নিয়োজিত আছে বিগত তিন বছর ধরে। আপনারা যারা দাবী করেন ( ২০১৭ এর আগের কমিটি) বিগত ১৪ বছর ধরে বাংলাদেশ তাঁতীলীগকে ধরে রেখেছিলেন তাদেরকে পরিষ্কার করে বলতে চাই আপনারা ১৪ বছর ধরে একটা কমিটির নেতা হয়ে ক্ষমতায় ছিলেন আপনারা কি করেছেন? আপনারা প্রতিটি জেলায় ৩/৪ টা করে কমিটির করেছিলেন। বাংলাদেশ তাঁতীলীগের ইতিহাসে প্রথম সম্মেলনের মাধ্যমে জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রথম কমিটি ঘোষণা করেন। আমি আমার জেলা যশোরে ৩টা করে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পেয়েছি কাগজ কলমে কিন্তু সরেজমিনে সবাইকে সামনে পাই নাই। তিন কমিটি থেকে ৬/৭ জন নেতাকর্মী পেয়েছি। পরবর্তীতে নতুন কমিটি সব কয়টি বিভাগে সাংগঠনিক টিম নির্বাচিত করা হয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় সবার সম্মতিতে। এই সকল সাংগঠনিক টিম নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে অল্প কিছু জেলা বাদে প্রায় সকল জেলায় আহবায়ক কমিটি করে সম্মেলন করার চেষ্টা করে চলেছে আজ অবদি। ফলশ্রুতিতে আজ সারা বাংলাদেশে বাংলাদেশ তাঁতীলীগ আলোচনায় আছে। তবে মাঝখানে একটি সিন্ডিকেট বিভিন্ন কৌশলে বাংলাদেশ তাঁতীলীগকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করেছে এবং অনেক ক্ষতি করেছে যাদেরকে এই অপকর্মের জন্য বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ইতিপূর্বেই বহিষ্কার করেছে আমরা সবাই জানি। এই দুষ্ট সিন্ডিকেট নিজেরা সফল হতে না পেরে দলকে প্রশ্নবিদ্ধ করে চলেছে, আমার জানামতে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ইতিহাসে কোন সহযোগী সংগঠনের একাংশ বলে কেউ দাবী করতে পারে নাই। এই দুষ্ট সিন্ডিকেট রাজনীতির নামে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। আপনাদেরকে অনুরোধ করব আগে আওয়ামীলীগকে ভালোবাসুন পদের নেশায় আপনারা উন্মাদ হয়ে গেছেন। আপনারা থামুন সামনে সম্মেলন যদি যোগ্যতা থাকে সামনাসামনি মোকাবেলা করুন। নেত্রী যদি আপনাদের নেতা বানায় আমরাও আপনাদের নেতা মানব। ফেসবুকে কাদা ছোড়াছুড়ি না করে জায়গায় করুন। খুব অবাক লাগে যখন দেখি বড় বড় নেতার সাথে ছবি এবং ট্যাগ দিয়ে পোস্ট দেই কিন্তু কেউ কোন প্রতিবাদ করে না। তাহলে কি নীরাবতা সম্মতির লক্ষ্মণ? আসুন সবাই মিলে সংগঠনকে গতিশীল করি।। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু, জয় হোক মানবতার।

লেখক: আনোয়ারুল কবীর,
সদস্য, বাংলাদেশ তাঁতীলীগ, কেন্দ্রীয় কমিটি।